কক্সবাজারে ফ্লাইট পরিচালনা করতে যাচ্ছে 'এয়ার এশিয়া'!
মালয়েশিয়া ভিত্তিক লো কস্ট এয়ারলাইন্স সংস্থা 'এয়ার এশিয়া' সম্প্রতি কক্সবাজার ও মালয়েশিয়ার পেনাংয়ের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছে। তবে 'এয়ার এশিয়া' কবে থেকে তাদের ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু করবে বা সপ্তাহে কয়টি ফ্লাইট পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি।
মালয়েশিয়াভিত্তিক "এয়ার এশিয়া" এয়ারলাইনস ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও বাণিজ্যিকভাবে প্রথম ১৯৯৬ সালে যাত্রা শুরু করে। সংস্থাটির বিমান বহরে বর্তমানে মোট প্রায় ২৫০টি যাত্রী পরিবহন বিমান ও কার্গো বিমান রয়েছে। যার অধিকাংশ হচ্ছে এয়ারবাস এ-৩২০ সিরিজের এয়ারক্রাফট। সংস্থাটির মূল বৈশ্বিক সদরদপ্তর (Global Headquarters) মালয়েশিয়ার সেপাং, সেলাঙ্গরে অবস্থিত।
তবে, বর্তমানে এয়ার এশিয়া এয়ারলাইনস সংস্থাটি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ব্যাপক আধুনিকায়ন ও নতুন মডেলের এয়ারক্রাফট ক্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। যার আওতায় এবার প্রায় ১৫০ এয়ারবাস এ-২২০-৩০০ মডেলের ন্যারো বডির এয়ারক্রাফট যাত্রী পরিবহন বিমান সংগ্রহ করবে সংস্থাটি। এই এয়ারবাস বিমানগুলোর ডেলিভারি শুরু করবে ২০২৮ সাল থেকে।
'এয়ার এশিয়া' মূলত একটি মালয়েশিয়ার কম খরচের এয়ারলাইন্স সংস্থা, যা গত ২০০১ সালে মালয়েশীয় সরকার-মালিকানাধীন এয়ার-এশিয়া কর্পোরেশন থেকে টনি ফার্নান্দেসের (Tony Fernandes) মালিকানাধীন টিউন এয়ার (Tune Air) কিনে নেওয়ার মাধ্যমে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে।
এভিয়েশন গ্রুপের সামগ্রিক প্রফর্মা (Pro-forma) রেভিনিউ ছিল প্রায় ২২.২ বিলিয়ন মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত (RM) বা প্রায় ৫.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এছাড়া কর-পরবর্তী নিট প্রফিট (Profit After Tax) অর্জন করেছে প্রায় ১.৯৬ বিলিয়ন মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত (RM)।
এই অর্থবছরে এয়ার এশিয়া তাদের নেটওয়ার্ক জুড়ে মোট ৬৮.৬ মিলিয়নেরও বেশি যাত্রী পরিবহন করেছে, যা এর আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২% বেশি। এই সময় তাদের বিমানগুলোর গড় আসন পূর্ণতার হার (Passenger Load Factor) ছিল প্রায় ৮২% থেকে ৮৪%। যা সংস্থাটির শক্তিশালী আর্থিক অবস্থান নির্দেশ করে।
তথ্যসূত্র: Wikipedia, AirAsia Newsroom, The Edge Malaysia
সিরাজুর রহমান
শিক্ষক ও লেখক (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক)
সিংড়া, নাটোর, বাংলাদেশ
Comments
Post a Comment