Posts

বৈশ্বিক সংকটের মাঝেও ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স খাতের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি!

Image
বর্তমানে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খলে অস্থিরতা বিরাজ করছে ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং লোহিত সাগরসহ প্রধান বৈশ্বিক নৌপথে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে। তবুও বর্তমানে বৈশ্বিক ইলেকট্রিক, ইলেকট্রনিক্স ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প রপ্তানিমুখী খাত হিসেবে ইতিবাচক ও শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে।   আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণ সংস্থা Research and Markets-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২৫ সালে গ্লোবাল ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড ইলেক্ট্রিক শিল্প খাতের আকার ছিল প্রায় ৪.০৬ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০২৬ সালে ৪.৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৬.৯% হারে বাজার আকার প্রায় ৫.৬১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।   চীন বর্তমানে বৈশ্বিক উৎপাদন খাতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণ করছে এবং ২০২৫ সালে একাই প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ভিয়েতনাম ১০৭.৭৫ বিলিয়ন ডলার, ভারত ৩৮.৫ বিলিয়ন ডলার এবং দক্ষিণ কোরিয়া ২৬৪.২৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।   অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য এই বিপুল উৎপাদনের প্রধান আমদানিকারক ও ভোক্তা হিসেবে গ্লোবাল...

ভবিষ্যতের এক অভাবনীয় ৫ডি অপটিক্যাল ডেটা স্টোরেজ টেকনোলজি

Image
ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক ২০১৬ সালের দিকে লাইফ-টাইম ডিজিটাল ডেটা স্টোরেজ টেকনোলজির এক নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। তারা মূলত গবেষণাগারে কোয়ার্টজ গ্লাসের ন্যানোস্ট্রাকচারে একটি উচ্চ প্রযুক্তির ৫ডি ডেটা স্টোরেজ ডিস্ক তৈরি করেন। University of Southampton, UK-এর Optoelectronics Research Centre (ORC)-এর গবেষকদের উদ্ভাবিত এই অভাবনীয় প্রযুক্তির নেতৃত্ব দিচ্ছেন Professor Peter G. Kazansky। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন “5D Optical Data Storage” বা “Superman Memory Crystal”। এটি মূলত একটি ৫ডি (5D) অপটিক্যাল ডেটা স্টোরেজ ডিস্ক টেকনোলজি, যা প্রায় ৭,০০০ ব্লু-রে ডিস্কের সমান অর্থাৎ প্রায় ৩৬০ টেরাবাইট ডেটা ধারণ করতে সক্ষম। বিজ্ঞানীদের দাবি অনুযায়ী, নতুন প্রজন্মের এই ডেটা স্টোরেজ অপটিক্যাল ডিস্কে সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত অবিকৃতভাবে আনুমানিক মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে টিকে থাকতে পারে। বর্তমানে ল্যাবে পরীক্ষামূলকভাবে femtosecond laser nanostructuring প্রক্রিয়ায় কোয়ার্টজ গ্লাসের ডিস্কে ডেটা সংরক্ষণ করে নিবিড়ভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকেরা। যদিও বিষয়টি এখনও অনেকটাই গবেষণামূলক পর্যায়...

Supercomputers: Evolving Capabilities Through Technology!

Image
Author: Sherazur Rahman Research into computers began extensively in the early 20th century, but the first practical programmable computer was not developed until during World War II. In the United States, the ENIAC (which stands for Electronic Numerical Integrator and Computer) was built, mainly for military use. The work on the ENIAC started in 1943, was finished in 1945, and was then officially launched in 1946. From ENIAC to CDC‑6600: The Dawn of Supercomputers The United States then, drawing on that experience, brought out the world's first successful commercial supercomputer in 1964; the CDC−6600, which was designed by the well-known computer scientist Seymour Cray for the Control Data Corporation, represented a revolutionary milestone in the history of computing. The CDC-6600 had about 400,000 transistors and almost 100 miles of wiring; it weighed approximately 6 tons, needed 30 kilowatts of power, and was equipped with a 60-bit processor operating at 10 MHz. Its maximum mem...

Education and Research: Challenges and Opportunities in the Muslim World

Image
By Sherazur Rahman October 8, 2026 In the 21st century, sustainable investment in education and research is the foundation of a nation's economic strength, its technological leadership, and its global standing. The Fourth Industrial Revolution has demonstrated that no country, whatever its level of development (advanced, developing or low-income), can afford to be left behind in the development of its technological capabilities. The leading countries recognised this reality a long time ago and have been making strategic investments in education, research and innovation. Through sustained planning and funding, they have progressed in robotics, space science, nanotechnology, aviation, motor vehicles, AI and medical technology. That has in turn enhanced their global competitiveness. In the Muslim world, there have been some significant advances in countries like Iran, Malaysia and Turkey. There are still many Muslim countries that are very much behind in terms of science, research an...

ইতিবাচক বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনে পবিত্র আল কোরআনের গুরুত্ব!

Image
(নতুন আপডেট: ৪ অক্টোবর ২০২৬)   লেখক: সিরাজুর রহমান   মানবজাতির মুক্তি ও সঠিক পথপ্রদর্শনের জন্য মহান আল্লাহ সর্বশেষ আসমানি কিতাব হিসেবে পবিত্র আল কোরআন নাজিল করেছেন আজ থেকে প্রায় ১৪শ বছর আগে। এই মহাগ্রন্থ কেবল একটি নৈতিক ও মানবিক সমাজ গড়ার দিকনির্দেশনাই দেয় না, বরং ইতিবাচক জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের দিকেও মানুষকে ধাবিত করে।   পবিত্র আল কোরআন শুধু মানবজাতির আধ্যাত্মিক ও নৈতিক মুক্তির গাইডলাইন নয়, বরং এটি মানুষকে চিন্তা ও গবেষণার খোরাক জোগায় এবং একটি বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে অনুপ্রাণিত করে। ইসলামে অন্ধবিশ্বাসের কোনো স্থান নেই; বরং জ্ঞান অন্বেষণ ও মহান সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির রহস্য উন্মোচনকে ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।   পবিত্র কোরআনের আলোকে শিক্ষা অর্জন করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মহান আল্লাহ বলেন, “পড়ো তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন ” (সূরা আলাক: ১)। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহর এই প্রথম নির্দেশই জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। তাই একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো পবিত্র কোরআন পড়া, তার অর্থ অনুধাবন...

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বাস্তবায়নে প্রয়োজন ইতিবাচক ও পরিকল্পিত পরিবর্তন

Image
  লেখক: সিরাজুর রহমান   সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের দেশের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষাকে জাতীয় কারিকুলামের মূল অংশ হিসেবে বাধ্যতামূলক করা হবে। আর দক্ষতার সঙ্গে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে এটি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি গঠনমূলক পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।   বিশেষ করে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ড শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে প্রাথমিক স্তর থেকেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি ইতিবাচক আগ্রহ তৈরি করাও এখন খুবই জরুরি।   আসলে আমাদের দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সবাইকে বিজ্ঞানী বা প্রকৌশলী বানানোই মূল লক্ষ্য নয়; বরং তাদের মধ্যে প্রশ্ন করার মানসিকতা, যৌক্তিক চিন্তা, পর্যবেক্ষণ, সমস্যা সমাধান এবং নতুন কিছু শেখার ও জানার আগ্রহ তৈরি করাই বিজ...

Wärtsilä RT-flex96C: মেরিন ডিজেল ইঞ্জিন প্রকৌশলের এক বিস্ময়!

Image
  গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং শক্তিশালী ইন্টারনাল কম্বাশন ডিজেল মেরিন ইঞ্জিন হচ্ছে Wärtsilä RT-flex96C। এটি মূলত ডিজাইন ও তৈরি করে ফিনল্যান্ডের Wärtsilä কোম্পানি। ২০০৬ সালে এটি প্রথম সার্ভিসে আসার পর থেকে আজ পর্যন্ত সামগ্রিক আকার এবং ওজনের দিক থেকে এই Wärtsilä RT-flex96C ডিজেল মেরিন ইঞ্জিনটিকে অন্য কোনো মেরিন ইঞ্জিন ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। আসলে পুরো ২,৩০০ টনেরও বেশি ওজনের এই দানবীয় ইঞ্জিনটির আকার যেকোনো সাধারণ মানুষকে চমকে দেবে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭ মিটার এবং উচ্চতা ১৩.৫ মিটার, যা কিনা একটি চারতলা ভবনের সমান হতে পারে। এই ইঞ্জিনের সর্বশেষ ১৪-সিলিন্ডারের সংস্করণটি সর্বোচ্চ প্রায় ১,১৪,৮০০ হর্সপাওয়ার (বা প্রায় ৮৫.৬ মেগাওয়াট) পর্যন্ত শক্তি উৎপাদন করতে পারে, যেখানে ১ মেকানিক্যাল হর্সপাওয়ার সমান প্রায় ৭৪৫.৭ ওয়াট হিসাব করা হয়। ডিজেলচালিত এই Wärtsilä RT-flex96C ইঞ্জিনের একেকটি পিস্টনের ওজনই প্রায় ৫.৫ টন এবং উচ্চতা প্রায় ৬ মিটার বা প্রায় ২০ ফুট। আর এর পুরো ক্র্যাংকশ্যাফ্টটির ওজন হতে পারে প্রায় ৩০০ টন পর্যন্ত। আর সাগরের বুকে বিশাল আকারের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর প্রপেলার ঘোরান...