Posts

Education and Research: Challenges and Opportunities in the Muslim World

Image
By Sherazur Rahman October 8, 2026 In the 21st century, sustainable investment in education and research is the foundation of a nation's economic strength, its technological leadership, and its global standing. The Fourth Industrial Revolution has demonstrated that no country, whatever its level of development (advanced, developing or low-income), can afford to be left behind in the development of its technological capabilities. The leading countries recognised this reality a long time ago and have been making strategic investments in education, research and innovation. Through sustained planning and funding, they have progressed in robotics, space science, nanotechnology, aviation, motor vehicles, AI and medical technology. That has in turn enhanced their global competitiveness. In the Muslim world, there have been some significant advances in countries like Iran, Malaysia and Turkey. There are still many Muslim countries that are very much behind in terms of science, research an...

ইতিবাচক বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনে পবিত্র আল কোরআনের গুরুত্ব!

Image
(নতুন আপডেট: ৪ অক্টোবর ২০২৬)   লেখক: সিরাজুর রহমান   মানবজাতির মুক্তি ও সঠিক পথপ্রদর্শনের জন্য মহান আল্লাহ সর্বশেষ আসমানি কিতাব হিসেবে পবিত্র আল কোরআন নাজিল করেছেন আজ থেকে প্রায় ১৪শ বছর আগে। এই মহাগ্রন্থ কেবল একটি নৈতিক ও মানবিক সমাজ গড়ার দিকনির্দেশনাই দেয় না, বরং ইতিবাচক জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের দিকেও মানুষকে ধাবিত করে।   পবিত্র আল কোরআন শুধু মানবজাতির আধ্যাত্মিক ও নৈতিক মুক্তির গাইডলাইন নয়, বরং এটি মানুষকে চিন্তা ও গবেষণার খোরাক জোগায় এবং একটি বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে অনুপ্রাণিত করে। ইসলামে অন্ধবিশ্বাসের কোনো স্থান নেই; বরং জ্ঞান অন্বেষণ ও মহান সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির রহস্য উন্মোচনকে ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।   পবিত্র কোরআনের আলোকে শিক্ষা অর্জন করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মহান আল্লাহ বলেন, “পড়ো তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন ” (সূরা আলাক: ১)। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহর এই প্রথম নির্দেশই জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। তাই একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো পবিত্র কোরআন পড়া, তার অর্থ অনুধাবন...

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বাস্তবায়নে প্রয়োজন ইতিবাচক ও পরিকল্পিত পরিবর্তন

Image
  লেখক: সিরাজুর রহমান   সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের দেশের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষাকে জাতীয় কারিকুলামের মূল অংশ হিসেবে বাধ্যতামূলক করা হবে। আর দক্ষতার সঙ্গে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে এটি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি গঠনমূলক পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।   বিশেষ করে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ড শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে প্রাথমিক স্তর থেকেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি ইতিবাচক আগ্রহ তৈরি করাও এখন খুবই জরুরি।   আসলে আমাদের দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সবাইকে বিজ্ঞানী বা প্রকৌশলী বানানোই মূল লক্ষ্য নয়; বরং তাদের মধ্যে প্রশ্ন করার মানসিকতা, যৌক্তিক চিন্তা, পর্যবেক্ষণ, সমস্যা সমাধান এবং নতুন কিছু শেখার ও জানার আগ্রহ তৈরি করাই বিজ...

Wärtsilä RT-flex96C: মেরিন ডিজেল ইঞ্জিন প্রকৌশলের এক বিস্ময়!

Image
  গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং শক্তিশালী ইন্টারনাল কম্বাশন ডিজেল মেরিন ইঞ্জিন হচ্ছে Wärtsilä RT-flex96C। এটি মূলত ডিজাইন ও তৈরি করে ফিনল্যান্ডের Wärtsilä কোম্পানি। ২০০৬ সালে এটি প্রথম সার্ভিসে আসার পর থেকে আজ পর্যন্ত সামগ্রিক আকার এবং ওজনের দিক থেকে এই Wärtsilä RT-flex96C ডিজেল মেরিন ইঞ্জিনটিকে অন্য কোনো মেরিন ইঞ্জিন ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। আসলে পুরো ২,৩০০ টনেরও বেশি ওজনের এই দানবীয় ইঞ্জিনটির আকার যেকোনো সাধারণ মানুষকে চমকে দেবে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭ মিটার এবং উচ্চতা ১৩.৫ মিটার, যা কিনা একটি চারতলা ভবনের সমান হতে পারে। এই ইঞ্জিনের সর্বশেষ ১৪-সিলিন্ডারের সংস্করণটি সর্বোচ্চ প্রায় ১,১৪,৮০০ হর্সপাওয়ার (বা প্রায় ৮৫.৬ মেগাওয়াট) পর্যন্ত শক্তি উৎপাদন করতে পারে, যেখানে ১ মেকানিক্যাল হর্সপাওয়ার সমান প্রায় ৭৪৫.৭ ওয়াট হিসাব করা হয়। ডিজেলচালিত এই Wärtsilä RT-flex96C ইঞ্জিনের একেকটি পিস্টনের ওজনই প্রায় ৫.৫ টন এবং উচ্চতা প্রায় ৬ মিটার বা প্রায় ২০ ফুট। আর এর পুরো ক্র্যাংকশ্যাফ্টটির ওজন হতে পারে প্রায় ৩০০ টন পর্যন্ত। আর সাগরের বুকে বিশাল আকারের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর প্রপেলার ঘোরান...

ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রযুক্তিতে নীরবে বিপ্লব ঘটিয়েছে চীন

Image
আন্তর্জাতিক উদ্বেগ ও চাপকে উপেক্ষা করে ২০২৬ সালের জুলাই মাসে প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় কৌশলগত সাবমেরিন-উৎক্ষেপিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (SLBM) পরীক্ষা চালিয়েছে চীন। পানির নিচে লুকিয়ে থাকা নিউক্লিয়ার সাবমেরিন থেকে চালানো চীনের এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড প্রবল উদ্বেগ ও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। তবে এই উৎক্ষেপণে বেইজিং আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্রটির সুনির্দিষ্ট নাম প্রকাশ করেনি। সামরিক বিশ্লেষক ও তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ছিলচীনের অত্যাধুনিক ১০ হাজার কিলোমিটার রেঞ্জের জুলাং সিরিজের (সম্ভবত JL-2 বা JL-3) সাবমেরিন-বেসড ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (SLBM)। আন্তর্জাতিক জলসীমায় সাবমেরিন থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়ে বেইজিং মূলত বিশ্বের কাছে তাদের "অ্যাসিওর্ড সেকেন্ড-স্ট্রাইক" (Assured Second-Strike) বা পাল্টা পারমাণবিক আঘাত হানার সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বতেও চীন আন্তর্জাতিক জলসীমায় স্থলভিত্তিক ডংফেং-৩১ (DF-31AG) ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক...

Indonesia’s Bus and Commercial Vehicle Industry: Rapid Growth and Future Outlook

Image
  The global demand for luxury bus bodies manufactured in Indonesia is experiencing steady growth. Currently, the country’s bus export sector generates an annual revenue of approximately USD 150 million to USD 200 million. On the other hand, the market value of the domestic bus and truck bodybuilding sector stands at around USD 2 billion to USD 3 billion. When the light and heavy truck markets are combined with the bus sector, the total size of Indonesia's commercial vehicle industry reaches nearly USD 29.32 billion. This massive market plays a vital role in contributing to the national GDP. Indonesia primarily imports essential chassis and components from various renowned international brands. The fabrication of the bodies and high-end interior decoration are then completed locally within the country's modern bodybuilding facilities (karoseri). This localized manufacturing process has successfully created employment opportunities for more than half a million people. The most s...

কক্সবাজারে ফ্লাইট পরিচালনা করতে যাচ্ছে 'এয়ার এশিয়া'!

Image
  মালয়েশিয়া ভিত্তিক লো কস্ট এয়ারলাইন্স সংস্থা 'এয়ার এশিয়া' সম্প্রতি কক্সবাজার ও মালয়েশিয়ার পেনাংয়ের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছে। তবে 'এয়ার এশিয়া' কবে থেকে তাদের ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু করবে বা সপ্তাহে কয়টি ফ্লাইট পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি। মালয়েশিয়াভিত্তিক "এয়ার এশিয়া" এয়ারলাইনস ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও বাণিজ্যিকভাবে প্রথম ১৯৯৬ সালে যাত্রা শুরু করে। সংস্থাটির বিমান বহরে বর্তমানে মোট প্রায় ২৫০টি যাত্রী পরিবহন বিমান ও কার্গো বিমান রয়েছে। যার অধিকাংশ হচ্ছে এয়ারবাস এ-৩২০ সিরিজের এয়ারক্রাফট। সংস্থাটির মূল বৈশ্বিক সদরদপ্তর (Global Headquarters) মালয়েশিয়ার সেপাং, সেলাঙ্গরে অবস্থিত। তবে, বর্তমানে এয়ার এশিয়া এয়ারলাইনস সংস্থাটি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ব্যাপক আধুনিকায়ন ও নতুন মডেলের এয়ারক্রাফট ক্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। যার আওতায় এবার প্রায় ১৫০ এয়ারবাস এ-২২০-৩০০ মডেলের ন্যারো বডির এয়ারক্রাফট যাত্রী পরিবহন বিমান সংগ্রহ করবে সংস্থাটি। এই এয়ারবাস বিমানগুলোর ডেলিভারি শুরু করবে ২০২৮ সাল থেকে। 'এয়ার ...