ইতিবাচক বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনে পবিত্র আল কোরআনের গুরুত্ব!
(নতুন আপডেট: ৪ অক্টোবর ২০২৬) লেখক: সিরাজুর রহমান মানবজাতির মুক্তি ও সঠিক পথপ্রদর্শনের জন্য মহান আল্লাহ সর্বশেষ আসমানি কিতাব হিসেবে পবিত্র আল কোরআন নাজিল করেছেন আজ থেকে প্রায় ১৪শ বছর আগে। এই মহাগ্রন্থ কেবল একটি নৈতিক ও মানবিক সমাজ গড়ার দিকনির্দেশনাই দেয় না, বরং ইতিবাচক জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের দিকেও মানুষকে ধাবিত করে। পবিত্র আল কোরআন শুধু মানবজাতির আধ্যাত্মিক ও নৈতিক মুক্তির গাইডলাইন নয়, বরং এটি মানুষকে চিন্তা ও গবেষণার খোরাক জোগায় এবং একটি বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে অনুপ্রাণিত করে। ইসলামে অন্ধবিশ্বাসের কোনো স্থান নেই; বরং জ্ঞান অন্বেষণ ও মহান সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির রহস্য উন্মোচনকে ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনের আলোকে শিক্ষা অর্জন করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মহান আল্লাহ বলেন, “পড়ো তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন ” (সূরা আলাক: ১)। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহর এই প্রথম নির্দেশই জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। তাই একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো পবিত্র কোরআন পড়া, তার অর্থ অনুধাবন...