মোর্স কোড: আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রথম ভিত্তি!
আজ থেকে প্রায় ১৮২ বছর আগে মার্কিন উদ্ভাবক স্যামুয়েল মোর্স টেলিগ্রাফ প্রযুক্তি
উদ্ভাবন করেন। এটি মানবজাতির আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে
এক নতুন যুগের সূচনা করে।
মূলত, ১৮৪৪ সালের ২৪ মে স্যামুয়েল মোর্স ওয়াশিংটন ডিসি থেকে বাল্টিমোরে তারের
মাধ্যমে প্রথম সফল টেলিগ্রাফ বার্তা পাঠান। ঐতিহাসিক বার্তাটি ছিল বাইবেলের উদ্ধৃতি- “What hath God
wrought”।
এই টেলিগ্রাফ প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত বিশেষ সংকেতই পরবর্তীতে মোর্স কোড নামে বিশ্বজুড়ে
পরিচিতি লাভ করে। এতে অক্ষর ও সংখ্যা প্রকাশ করা হয় ছোট সংকেত (ডট) ও বড় সংকেত (ড্যাশ)
দিয়ে। উদাহরণস্বরূপ, SOS = …---…।
স্যামুয়েল মোর্স ও তাঁর সহকারী আলফ্রেড ভেইল তারের সাহায্যে এই মোর্স কোড ব্যবহার
করে দূরবর্তী অঞ্চলে বার্তা আদান-প্রদান করতেন। এর ফলে মুহূর্তের মধ্যে বিশাল দূরত্বে
তথ্য সহজেই পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়।
আজকের এই আধুনিক যুগে ১৮২ বছর আগের টেলিগ্রাফ প্রযুক্তিকে অতি সাধারণ মনে হলেও,
সেই তারযুক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থাই কিন্তু আধুনিক টেলিযোগাযোগ, উচ্চগতির ইন্টারনেট এবং
সমগ্র ডিজিটাল সভ্যতার শক্তিশালী ভিত্তি রচনা করে।
(ইন্টারনেটে প্রাপ্ত উন্মুক্ত উৎস থেকে তথ্য সংগৃহীত)
ইমেজ ক্রেডিট: এআই জেনারেটেড
লেখক: সিরাজুর রহমান, শিক্ষক ও লেখক, বাংলাদেশ।

Comments
Post a Comment