মহাকাশ গবেষণায় প্রস্তুত হচ্ছে থার্টি মিটার টেলিস্কোপ (টিএমটি)!



পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ আকারের এবং শক্তিশালী টেলিস্কোপ যৌথভাবে তৈরি করতে যাচ্ছে ভারত ও জাপান। থার্টি মিটার টেলিস্কোপ (টিএমটি) নামের এই নতুন প্রজন্মের ল্যান্ড বেসড টেলিস্কোপের আয়নার আকার হবে লম্বায় প্রায় ৩০ মিটার।



এই টেলিস্কোপের সাহায্যে মহাবিশ্বের অত্যন্ত ক্ষীণ আলো শনাক্ত করতে সক্ষম এবং এমনকি এটি জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ অপেক্ষা হাই রেজ্যুলিউশনে ইমেজ ক্যাপচার করতে সক্ষম হবে বলে জানানো হয়েছে।


এটি তৈরির কাজ প্রথম শুরু হয় ২০১৪ সালের দিকে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন এটিকে আগামী ২০৩০-৩৫ সালের মধ্যে মহাকাশ গবেষণায় চালু করা সম্ভব হবে।


এই প্রজেক্টের প্রাথমিক ব্যয় ২.৪ বিলিয়ন ডলার ধরা হলেও গত নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত এই খরচ প্রায় ৩.৯ বিলিয়ন ডলার বা তারও বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়া এই টেলিস্কোপের মোট ওজন হবে প্রায় ২,৬৫০ টন।


উচ্চ প্রযুক্তির এই টেলিস্কোপ প্রজেক্টে ভারত ও জাপানের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করছে। এটিকে হাওয়াইয়ের মাউনা কেয়া পবর্তে আনুমানিক ১৩,২৯০ ফুট উচ্চতায় স্থাপন করা হবে।


এই টেলিস্কোপের দ্বারা বিজ্ঞানীরা মহাকাশের অত্যন্ত দূরবর্তী ব্ল্যাকহোল ও ছায়াপথের গঠন পর্যবেক্ষণ ও গবেষণার পাশাপাশি পৃথিবীর বাহিরে হাজার আলোকবর্ষ দূরত্বে লুকিয়ে থাকা গ্রহে এলিয়েন লাইফ বা জটিল জীবনের অস্তিত্ব খোঁজার চেষ্টা করবেন।


এটি বিশেষ করে মহাবিশ্বের একেবারে প্রাথমিক সময়ের গ্যালাক্সি এবং সৌরজগতের বাইরের গ্রহগুলির বায়ুমণ্ডল নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করবে। যা অদূর ভবিষ্যতে মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা যায়।


তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া,


লেখক পরিচিতি :
সিরাজুর রহমান
শিক্ষক ও লেখক
সিংড়া, নাটোর,
বাংলাদেশ।

Comments

Popular posts from this blog

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছাপানো পবিত্র কুরআন মাজীদ!

প্রাণের খোঁজে শনির চাঁদ টাইটানে নাসার এক বৈপ্লবিক “ড্রাগনফ্লাই” স্পেস মিশন!

ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় মোবাইল নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরের বিপ্লব!