মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টারের প্রকাশিত এক তথ্যমতে, আফগানিস্তানে তালেবান বিরোধী লড়াইয়ের অংশ হিসেবে মার্কিন বোম্বার, কমব্যাট ড্রোন এবং ফাইটার জেটগুলো ২০১৯ সালের জানুয়রি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আফগানিস্তানে রেকর্ড পরিমাণ ৭,৪২৩ টি হাই এক্সুসিভ বোম্বস আকাশ থেকে ফেলেছিল। অথচ এই বিমান হামলায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আফগানিস্তানের সাধারণ এবং নিরহ মানুষ মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ এবং হতাহত হয়। আর ২০০৯ সালে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আফগানিস্তানে তালেবান জঙ্গিগোষ্ঠি নির্মুলে এর লক্ষ সেনা মোতায়েন করে এবং এ পর্যন্ত এই যুদ্ধে জড়িয়ে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি ব্যয় করে গেলেও সফলতা প্রাপ্তির হার খুবই নগন্যই বলা চলে। তাছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ২৮শে জানুয়ারি ২০২০ এ কাবুলের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণে গজনি প্রদেশের দেহ ইয়াক জেলায় একটি মার্কিন বোম্বার্ডিয়ার ই-১১এ বিমান ক্রাস করলে আফগান তালেবানরা তা গুলি করে বিধ্বস্ত করার দায় স্বীকার করেছে।
বিশ্বের প্রথম সফল বাণিজ্যিক পার্সোনাল কম্পিউটার
বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কম্পিউটার প্রযুক্তিতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন শুরু হয়। বিশেষ করে ১৯৪৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হয় ‘এনিয়াক’ (ENIAC) কম্পিউটার। যা ছিল বিশ্বের প্রথম সাধারণ ব্যবহারের উদ্দেশ্যের ডিজাইনকৃত ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেম। যদিও ENIAC প্রোগ্রামেবল কম্পিউটার সিস্টেম ছিল, তবে এটি stored-program architecture ব্যবহার করত না। পাশাপাশি ENIAC কম্পিউটার আকারে ছিল অনেক বড় এবং এটি অপারেট করতে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন হতো এবং এটি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের উপযোগী কোনো মাইক্রো পার্সোনাল কম্পিউটার ছিল না। আর প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সীমাবদ্ধতার কারণে সাধারণ মানুষের জন্য ছোট আকারের ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের উপযোগী মাইক্রো পার্সোনাল কম্পিউটার বাজারে আসতে সময় লাগে আরও প্রায় তিন দশক। অবশেষে ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে আমেরিকার Popular Electronics ম্যাগাজিনের কাভার পেজে প্রথমবার প্রকাশিত হয় Altair 8800 মডেলের মাইক্রো পার্সোনাল কম্পিউটারের ছবি ও বিবরণ। এর কিছুদিনের মধ্যেই এটি বাজারে চলে আসে। এই কম্পিউটারকে অনেকে ‘প্রথম মাইক্রো পার্সোনাল কম্পিউটার’ বলে থা...

Comments
Post a Comment