Posts

Showing posts from January, 2026

চীনের দ্রুতগতির ম্যাগলেভ ট্রেনের পরীক্ষামূলক গতি অর্জনে রেকর্ড!

Image
  সাম্প্রতিক সময়ে চীনের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ ডিফেন্স টেকনোলজি (National University of Defense Technology) এর একদল গবেষক একটি সুপারকন্ডাক্টিং ম্যাগলেভ ট্রেনের পরীক্ষামূলক পর্যায়ে অবিশ্বাস্য গতি অর্জন করেছে। একটি প্রায় এক টন ওজনের ম্যাগলেভ ট্রেন মাত্র ২ সেকেন্ডে ০ থেকে ৭০০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে পৌঁছেছে, যা ভবিষ্যতে যাতায়াত ব্যবস্থায় এক নতুন যুগের সূচনা করতে পারে। এনডিটিভি নিউজের তথ্যমতে, ৪০০ মিটার দীর্ঘ ট্র্যাকে একটি প্রোটোটাইপ ম্যাগলেভ ট্রেন পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা শেষে ট্রেনটিকে নিরাপদে থামানোও সম্ভব হয়েছে। এটি এখন পর্যন্ত বিশ্বের দ্রুততম সুপারকন্ডাক্টিং ইলেকট্রিক ম্যাগলেভ ট্রেনের পরীক্ষামূলক রান। এর মাধ্যমে চীন আবারো নতুন প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বিশ্বের সামনে উন্মোচন করেছে। তবে কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে বলা হয় যে, চীনে একটি ম্যাগলেভ ট্রেন মাত্র ২ সেকেন্ডে ৭০০ কিমি গতি অর্জন করেছে। বাস্তবে এটি তথ্যগত দিক দিয়ে কিছুটা ভুল বা অতিরঞ্জিত ছিল মনে করা হয়। তথ্যসূত্র: NDTV লেখক পরিচিতি: সিরাজুর রহমান, শিক্ষক ও লেখক, বাংলাদেশ।

বায়ুমণ্ডলের ঠিক কতটা উচ্চতায় উড়তে পারে এয়ারক্রাফট?

Image
বর্তমানে সারা বিশ্বে আনুমানিক ৫০টি বা তার অধিক মডেলের যুদ্ধবিমান এবং হেভি কমব্যাট এয়ারক্রাফট সার্ভিসে থাকলেও বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক, ব্যয়বহুল এবং স্টেলথ প্রযুক্তির ফাইটার জেট হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এফ-২২ র ‍ ্যাপটার যুদ্ধবিমান। এই যুদ্ধবিমানটি আকাশের সর্বোচ্চ প্রায় ৬৫ হাজার ফুট এবং ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান প্রায় ৫৫ হাজার ফুট উচ্চতায় উড্ডয়ন করতে পারে। এদিকে আমেরিকার তৈরি স্টেলথ বি-২ স্পিরিট হেভি বোমারু বিমান ৫০,০০০ ফুট (প্রায় ১৫,০০০ মিটার) বা তারও বেশি উচ্চতায় উড়তে পারে এবং রাশিয়ার তৈরি লং রেঞ্জের তোপলেভ টিইউ-১৬০ হেভি বোম্বার এয়ারক্রাফট ১৬,০০০ মিটার (৫২,০০০ ফুট) পর্যন্ত উচ্চতায় উড্ডয়নের রেকর্ড রয়েছে। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে আকাশের অধিক উচ্চতায় উড্ডয়নের সক্ষমতা রয়েছে মিগ-৩১ ইন্টারসেপ্টর যুদ্ধবিমানের। উইকিপেডিয়ার দেয়া তথ্যমতে, মিগ-৩১ বিমানটি ২৫,০০০ মিটার (৮২,০০০ ফুট) বা তারও বেশি উচ্চতায় উড্ডয়ন করতে সক্ষম বলে রাশিয়া দাবি করলেও এটি বাস্তবে পূর্ণমাত্রায় পরীক্ষিত নয়; তবুও এটি একটি অত্যন্ত উচ্চতাসম্পন্ন ইন্টারসেপ্টর হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে। যদিও এর নির্দিষ্ট অপারেশনাল সিলিং রেঞ্জ সা...

এই সুবিশাল মহাবিশ্বে আকাশগঙ্গা ছায়াপথের রহস্যময় যাত্রা!

Image
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মনে করেন, আনুমানিক ৯৩ বিলিয়ন লাইট ইয়ার ব্যাপী দৃশ্যমান মহাবিশ্বে কোটি কোটি গ্যালাক্সি লুকিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে আমাদের আকাশগঙ্গা ছায়াপথ একটি সুবিশাল সর্পিলাকার গ্যালাক্সি, যার আকার বা ব্যাস প্রায় ১-১.২ লক্ষ আলোকবর্ষ পর্যন্ত হতে পারে।     দীর্ঘ মেয়াদি গবেষণা অনুযায়ী, হয়ত এই ছায়াপথে আনুমানিক ১০০-৪০০ বিলিয়ন নক্ষত্র লুকিয়ে রয়েছে। যদিও রাতের আকাশে আমরা অসংখ্য নক্ষত্র দেখতে পাই, তার অধিকাংশ আমাদের সৌরজগতের কাছাকাছি, কয়েক হাজার আলোকবর্ষের মধ্যে অবস্থান করছে। এছাড়া ছায়াপথে হয়ত কয়েক ট্রিলিয়ন গ্রহ, উপগ্রহ এবং অন্যান্য মহাজাগতিক অবজেক্ট লুকিয়ে থাকতে পারে।     আমাদের চিরচেনা আকাশগঙ্গা ছায়াপথে প্রতিটি নক্ষত্রের মধ্যে এত বিশাল দূরত্ব রয়েছে যে, তাদের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতেও অনেক সময় লাগে। উদাহরণস্বরূপ, আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টৌরি প্রায় ৪.২৪ আলোকবর্ষ দূরে। এটি একটি লাল বামন নক্ষত্র এবং আলফা সেন্টোরি বাইনারি স্টার সিস্টেমের অংশ।     কাল্পনিকভাবে, যদি আমরা প্রতি সেকেন্ডে ২০০ কিলোমিটার গতিতে কোন স্পেসক্রাফট প্রক্সিমা সেন্টুরি...

মহাকাশ গবেষণায় প্রস্তুত হচ্ছে থার্টি মিটার টেলিস্কোপ (টিএমটি)!

Image
পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ আকারের এবং শক্তিশালী টেলিস্কোপ যৌথভাবে তৈরি করতে যাচ্ছে ভারত ও জাপান। থার্টি মিটার টেলিস্কোপ (টিএমটি) নামের এই নতুন প্রজন্মের ল্যান্ড বেসড টেলিস্কোপের আয়নার আকার হবে লম্বায় প্রায় ৩০ মিটার। এই টেলিস্কোপের সাহায্যে মহাবিশ্বের অত্যন্ত ক্ষীণ আলো শনাক্ত করতে সক্ষম এবং এমনকি এটি জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ অপেক্ষা হাই রেজ্যুলিউশনে ইমেজ ক্যাপচার করতে সক্ষম হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি তৈরির কাজ প্রথম শুরু হয় ২০১৪ সালের দিকে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন এটিকে আগামী ২০৩০-৩৫ সালের মধ্যে মহাকাশ গবেষণায় চালু করা সম্ভব হবে। এই প্রজেক্টের প্রাথমিক ব্যয় ২.৪ বিলিয়ন ডলার ধরা হলেও গত নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত এই খরচ প্রায় ৩.৯ বিলিয়ন ডলার বা তারও বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়া এই টেলিস্কোপের মোট ওজন হবে প্রায় ২,৬৫০ টন। উচ্চ প্রযুক্তির এই টেলিস্কোপ প্রজেক্টে ভারত ও জাপানের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করছে। এটিকে হাওয়াইয়ের মাউনা কেয়া পবর্তে আনুমানিক ১৩,২৯০ ফুট উচ্চতায় স্থাপন করা হবে। এই টেলিস্কোপের দ্বারা বিজ্ঞানীরা মহাকাশের অত্যন্ত দূরবর্তী ব্ল্যাকহোল ও...

Aviation History’s Marvel: Antonov AN-225 ‘Mriya’ Cargo Aircraft!

Image
The Antonov AN-225 ‘Mriya’ was the largest and heaviest cargo aircraft in the world. Sadly, it was completely destroyed in February 2022 during the Russia-Ukraine war. Originally designed in the 1980s by the Antonov Design Bureau of the former Soviet Union, its chief designer was Viktor Tolmachev. Construction finished in 1985, and the aircraft made its first successful flight on December 21, 1988. After the Soviet Union collapsed, it was transferred to Ukraine. This giant aircraft was used from 1988 to 1991, during the Cold War, to transport the ‘Buran’ space shuttle for the Soviet space program. Later, Ukraine operated it solely as a cargo aircraft until 2022. Powered by six D-18 turbofan engines, the AN-225 had an empty weight of about 285 tons and a maximum take-off weight of 640 tons. In practice, it could carry payloads of up to 250 tons. Its dimensions were impressive: 275 feet long, 59 feet high, and a wingspan of 290 feet. Equipped with 32 wheels, it could reach a maximum ...